
এক নরপিশাচের হাত খোঁজে শিশু-মনের মাংসের স্বাদ। আলো-ছায়ার ফাঁকে সে ঢুকে পড়ে আমার নির্জন শৈশবের দুপুরে......। ভদ্রতার মুখোশ পরে , শিকার করে ছোট শৈশব ভরসায় ছুঁয়ে যায় শরীর ভালোবাসার নামে - করে সম্মোহন উপহারের আড়ালে তার লালোসার জিভ। সে কে? সে কে?! এক নর খাদক! ছদ্মবেশী দানোব! রক্ষার নামে শরীর ছিঁড়ে খায় খুন করে কারো নিষ্পাপ শৈশব... সে বলে — “এটা ভালোবাসা-!” কিন্তু তার স্পর্শে জ্বলে ওঠে রক্ত তার মন্ত্রে ছড়ায় নিষিদ্ধ নীল বিষের ঢেউ করোটি থেকে ফুসফুস, শিরায় শিরায় আর রক্তপ্রবাহে... সে কে? সে কে?! এক নর খাদক! ভয়ের মিছিলে... অভিভাবকের ছায়ায় এক নরপিশাচ। অভিভাবক? শিক্ষক? চেনা মুখে লুকিয়ে জানোয়ার! চেনে সব মুখ, সব ঘর, কিন্তু মস্তিষ্কে তার — ঘৃণ্য লালোসার আগুন... শিশু-মনের গভীরে বুনে দেয় সর্বনাশের বীজ ছড়ায় সং-ক্রমণ তার নিঃশ্বাসে নরকের আলো মুখে ভালোবাসা, স্পর্শে বিভীষিকার জ্বলন। রং ছবির পাশে বসে থাকে সে হেসে— বলে, “ কত ভালোবাসি তোমাকে”.... কিন্তু সেই হাসির নিচে দাঁত আছে, নখ আছে, ক্ষত আছে..... সে কে? সে কে?! আমাদের সমাজে ! আমাদের পাশে! চেনা মুখে এক মানুষরুপী জানোয়ার... অভিভাবকের ছায়ায় এক নরোখাদক আজও সে ঘুরে বেড়ায়। --- ©️SudipS

