
আত্মাহুতির মহড়া - আরিফ শামছ্
আত্মাহুতির মহড়া দেখা হয় মুখোমুখি , বসে-বসি পাশাপাশি, প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে, হাই, হ্যালো বলি। তারপর.............. কথা বলিতে বলিতে, জল্পনা, কল্পনার অবসানে, মুখোমুখি, পাশাপাশি, শ্রেণী সীমানা পেড়িয়ে, জানা-অজানা কত দূরে! মা-বাবা, ভাই, বোন ও স্বজন, কেউ জানে, কভু জানেনা, ভুলেও ভেবে দেখেনা। স্বাধীনতার নামে, লাগামহীন আত্মঘাতী, স্বেচ্ছাচারিতা চলে, বেশুমার বেলা-অবেলা। সুস্থতার ত্রি-সীমানা তোয়াক্কা না করে, অসুস্থ মন-মানসিকতার, নেশা-ঘোরে, ভাল-মন্দের দেয়াল মুছে, অচেনা রাজ্যের, ভয়ংকর উদ্ভট গন্ধে, কত বেলা কাটে! পথে-বিপথে, মাঠে-প্রান্তরে, পার্কে, রেস্তোরা, অন্ধ প্রকোষ্ঠে। কেউ দেখেনা, কেউ দেখে, কিছুই পারেনা উচ্চারণে, তীব্র প্রতিবাদের আক্রোশে, কারণ ধর্ষণের সংজ্ঞাটাই, বদলে দিয়েছে, কুচক্রীমহল! তাদের লোভ-লালসার পাত্রী করে, টেনে হিঁচড়ে, ঘর থেকে বাহিরে এনে, ছলে বলে কৌশলে, স্বাধীনতার কথা বলে, মহামূল্যবান সব ছিনিয়ে, বানায় অকুতোভয় পতিতা, মুখোশের আঁড়ালে আরেক পরিচয়, ছদ্মরূপ বেশ্যার বেসাতী হরদম। আস্ত জাহান্নাম, আস্থাহীন সংসারে, বিশ্বাস নেই কারো, একে অপরে, বিশ্বাসহন্তা বিশ্বাস করেনা নিজেরে। অঘটন-ঘটন পটিয়সী, ওরা বুদ্ধিজীবী! সাহিত্যিক, সমাজ সংস্কৃতির কান্ডারী! ওদের কলমের ডগায় জন্ম নেয়, অকল্পনীয় অশ্লীলতার মোড়কে, সাহিত্যচর্চার অপরিনামদর্শী বাঁকে, রগরগে যৌণতা, উদগ্র কামনার তরে, পবিত্রতার আত্মাহুতির মহড়া চলে। আস্ত জাহান্নাম, আস্থাহীন সংসারে, বিশ্বাস নেই কারো, একে অপরে, বিশ্বাসহন্তা বিশ্বাস করেনা নিজেরে। অঘটন-ঘটন পটিয়সী, ওরা বুদ্ধিজীবী! সাহিত্যিক, সমাজ সংস্কৃতির কান্ডারী! ওদের কলমের ডগায় জন্ম নেয়, অকল্পনীয় অশ্লীলতার মোড়কে, সাহিত্যচর্চার অপরিনামদর্শী বাঁকে, রগরগে যৌণতা, উদগ্র কামনার তরে, পবিত্রতার আত্মাহুতির মহড়া চলে। পবিত্রতার আত্মাহুতির মহড়া চলে-- পবিত্রতার আত্মাহুতির মহড়া চলে-- পবিত্রতার আত্মাহুতির মহড়া চলে । ।

