ফুরোনো ক্ষেতের গন্ধে এইখানে ভরেছে ভাঁড়ার; পৃথিবীর পথে গিয়ে কাজ নাই — কোনো কৃষকের মতো দরকার নাই দূরে মাঠে গিয়ে আর! রোধ — অবরোধ — ক্লেশ — কোলাহল শুনিবার নাহিকো সময় – জানিতে চাই না আর সম্রাট সেজেছে ভাঁড় কোন্‌খানে কোথায় নতুন করে বেবিলন ভেঙে গুঁড়ো হয়! আমার চোখের পাশে আনিয়ো না সৈন্যদের মশালের আগুনের রঙ দামামা থামায়ে ফেল — পেঁচার পাখার মতো অন্ধকারে ডুবে যাক রাজ্য আর সাম্রাজ্যের সঙ! এখানে নাহিকো কাজ — উৎসাহের ব্যথা নাই, উদ্যমের নাহিকো ভাবনা; এখানে ফুরায়ে গেছে মাথার অনেক উত্তেজনা। অলস মাছির শব্দে ভরে থাকে সকালের বিষন্ন সময়, পৃথিবীরে মায়াবীর নদীর পারের দেশ বলে মনে হয়! সকল পড়ন্ত রোদ চারি দিকে ছুটি পেয়ে জমিতেছে এইখানে এসে গ্রীষ্মের সমুদ্র থেকে চোখের ঘুমের গান আসিতেছে ভেসে, এখানে পালঙ্কে শুয়ে কাটিবে অনেক দিন – জেগে থেকে ঘুমবার সাধ ভালোবেসে। এখানে চকিত হতে হবে নাকো — ত্রস্ত হয়ে পড়িবার নাহিকো সময়; উদ্যমের ব্যথা নাই — এইখানে নাই আর উৎসাহের ভয়! এই খানে কাজ এসে জমে নাকো হাতে, মাথায় চিন্তার ব্যথা হয় না জমাতে! এখানে সৌন্দর্য এসে ধরিবে না হাত আর – রাখিবে না চোখ আর নয়নের পর; ভালোবাসা আসিবে না – জীবন্ত কৃমির কাজ এখানে ফুরায়ে গেছে মাথার ভিতর! অলস মাছির শব্দে ভরে থাকে সকালের বিষন্ন সময় পৃথিবীর মায়াবীর নদীর পারের দেশ বলে মনে হয়; সকল পড়ন্ত রোদ চারি দিকে ছুটি পেয়ে জমিতেছে এইখানে এসে, গ্রীষ্মের সমুদ্র থেকে চোখের ঘুমের গান আসিতেছে ভেসে, এখানে পালঙ্কে শুয়ে কাটিবে অনেক দিন জেগে থেকে ঘুমাবার সাধ ভালোবেসে!