
স্থায়ী - Verse 1] ভবানীগঞ্জ ডুবলো যবে ঘাঘোটেরই টানে, নতুন করে জাগলো আবার, জনপদ এইখানে। হাজার বছর আগের সেই ,বিরাট রাজার দেশে, ষাট হাজার গাভীর গল্পো,আজও ভাসে মুখে মুখে। [মুখরা - Chorus - Anthem] আমি তোমার ঘাটে বাঁন্ধা, বালাসী ঘাটের নাও, পোড়া মাটির ইটে গড়া বন্ধুত্বের কেন্দ্রো টাও। তিস্তা, যমুনা, ব্রহ্মপুত্রের তিনটি আঁচল ধরে, গাইবান্ধা তুমি আছো, হামার হৃদয় জুড়ে। [অন্তরা - ১] গোবিন্দগঞ্জের মাস্তা মসজিদ, আজান ভাসে ভোরে, কোচাশহোরের তাঁত শিল্প, শীত কাটায় প্রতি ঘরে। সাদুল্লাপুরের শাহী মসজিদ, সাক্ষী ইতিহাসের, নোলডাঙ্গার জমিদার বাড়ি আজও দীর্ঘশ্বাসের। তিস্তা, যমুনা, ব্রহ্মপুত্রের তিনটি আঁচল ধরে, গাইবান্ধা তুমি আছো, হামার হৃদয় জুড়ে। [অন্তরা - ২] সদর থেকে সুন্দরগঞ্জ, সাঘাটা ফুলছড়ি, পলাশবাড়ীর বেতকাপাতে আজও স্বপ্ন গড়ি। পাঁচটি নদী নয়, পাঁচটি ভাই যেনো এক মায়ের কোলে, হামরা মানুষ এই মাটির, কথা বলি চোখের জলে। তিস্তা, যমুনা, ব্রহ্মপুত্রের তিনটি আঁচল ধরে, গাইবান্ধা তুমি আছো, হামার হৃদয় জুড়ে। [সঞ্চারী - Bridge - একদম গভীর, খাদে] আব্দুল হামিদ সাহেব হলেন, প্রথম স্পিকার, গর্বো করে বলতে পারি তিনি হামার গাইবান্ধার, আখতারুজ্জামান লিখে গেছেন, অন্য ঘরে অন্য সড়, অনেকেই চিনি না তাকে, হামার গাইবান্ধার। রক্তে লেখা আঠারো'শো আটান্নো, থেকে উনিশশো' চুরাশি, জেলা হলো গাইবান্ধা, গর্বে হামার বুক ভাসে। তিস্তা, যমুনা, ব্রহ্মপুত্রের তিনটি আঁচল ধরে, গাইবান্ধা তুমি আছো, হামার হৃদয় জুড়ে। [শেষ মুখরা - High & Emotional] যত দূরেই যাই না কেন, নদী আমায় ডাকে , ঘাঘোট বলে - "ফিরে আয়, মোর বুকে"। আমি ফিরবো, হামার জন্মভূমি, তোমার ধুলোয় মিশে, গাইবান্ধা, আমার শেষ ঠিকানা, গাইবান্ধাতে সব শেষে। তিস্তা, যমুনা, ব্রহ্মপুত্রের তিনটি আঁচোল ধরে, গাইবান্ধা তুমি আছো, হামার হৃদয় জুড়ে।

