
হঠাৎ হঠাৎ বুকের মাঝে ব্যথার সুরে বাজে.... চিনচিনে সেই হাওয়া লাগে দূর বহুদূর থেকে কে যেন বলে, আর কাঁদাবি? চমকে উঠি, স্মৃতির ভিড়ে হাতড়ে খুঁজি চেনা সেই মুখ, দস্যিপনায় অবুঝ কিশোর, তীক্ষ্ণ কথার বানে-ধারায় কতখানি সে আহত ওষ্ঠে জমে ক্ষত, চোখে নোনা ভাসে... অবজ্ঞায় এক কিশোরী মুখ ফিরিয়ে এগিয়ে গেছে চায়নি আর ফিরে তাকাতে.... দু’হাত তুলে বারবার তার সে মিনতি অহেলাতেই হারায় গেছে..... তুচ্ছ করে ..... তুচ্ছতাকে তুচ্ছ করে অবহেলার ধুলো ঝেড়ে ফিরে সে-ই জিজ্ঞেস করে অবুঝ কিশোর আর কাঁদাবি? জবাব দেবার হয়নি সময় সেই কিশোরী গর্বীনি নিজের মাঝেই হারিয়ে তখন দেয়নি সাড়া .... শত অনুরোধেও মন নরম হয়নি, ভুলে যায়নি প্রাণ .... অভিমানে হৃদয় পুড়ে অবুঝ কিশোর ওষ্ঠে তোলে তেতো সুর যে প্রশ্নে সে পায়নি জবাব আজ পেল নিজেরই ভেতর.... সাতসকালে কান্না ওঠে সারা পাড়ায় জেগে সাড়া কোন সে অভিমানে কিশোর হারিয়ে গেছে অনেক দূরে! যার ছিল জানা জবাবটা সেই কিশোরী বাক্যহারা ভীষণ অবাক! এমন করে যায় কি চলে কেউ কখনও? পেলো না সে তাহার জবাব..... শুধুই হঠাৎ আজও বুকের মাঝে চিনচিনে সুরে কষ্ট বাজে.... দূর বহুদূর, সুদূর হতে আজও কে সেই প্রশ্ন করে আর কাঁদাবি?

