মধুর যন্ত্রণা ভুলতে পারি না, তাঁকে ভোলা যায় না, কেন এমন করি, তাও বুঝি না! স্মৃতির ঝাঁপি খুলে ধরি সবসময়— এই কেমন মধুর যন্ত্রণা!!! ভুলতে পারি না, তাঁকে ভোলা যায় না, কেন এমন করি, তাও বুঝি না! স্মৃতির ঝাঁপি খুলে ধরি সবসময়— এই কেমন মধুর যন্ত্রণা!!! নামটি উচ্চারিত হলেই থেমে যায় নিঃশ্বাস, চোখের সামনে ভেসে উঠে সাদা ওড়নায় ঢাকা মুখ। হাতে কলম, ঠোঁটে নীরবতা, তবু হৃদয়ে ছিল কাব্যের পূর্ণ বিকাশ। নামটি উচ্চারিত হলেই থেমে যায় নিঃশ্বাস, চোখের সামনে ভেসে উঠে সাদা ওড়নায় ঢাকা মুখ। হাতে কলম, ঠোঁটে নীরবতা, তবু হৃদয়ে ছিল কাব্যের পূর্ণ বিকাশ। চোখে তার ছায়া, কণ্ঠে মায়াবী ধ্বনি, বলে যেত অজস্র না বলা কথা এক দৃষ্টিতে। আমি শুনতাম, বুঝতাম, অনুভব করতাম— কিন্তু বলিনি কিছু, ছিল এক প্রহেলিকা জগতে। চোখে তার ছায়া, কণ্ঠে মায়াবী ধ্বনি, বলে যেত অজস্র না বলা কথা এক দৃষ্টিতে। আমি শুনতাম, বুঝতাম, অনুভব করতাম— কিন্তু বলিনি কিছু, ছিল এক প্রহেলিকা জগতে। মোছাম্মত কবিতা বেগম—তুমি কি জানো? তোমার অনুপস্থিতি আমার প্রতিটি উপস্থিতিতে বসবাস, তুমি না থেকেও আছো প্রতিটি নিঃশ্বাসে, তুমি চলে গিয়েও রয়ে গেছো গোপন ইতিহাসে। মোছাম্মত কবিতা বেগম—তুমি কি জানো? তোমার অনুপস্থিতি আমার প্রতিটি উপস্থিতিতে বসবাস, তুমি না থেকেও আছো প্রতিটি নিঃশ্বাসে, তুমি চলে গিয়েও রয়ে গেছো গোপন ইতিহাসে। দিন যায়, রাত আসে, যুগ পেরোয় ধীরে, তবু ভুলতে পারি না সেই ঈদের সন্ধ্যা, যেদিন বলেছিলে, “আমাকে ভুলে যেও”— শুধু হেসেছিলাম… কাঁদি নাই তখন, এখন কাঁদাও প্রতিনিয়ত। দিন যায়, রাত আসে, যুগ পেরোয় ধীরে, তবু ভুলতে পারি না সেই ঈদের সন্ধ্যা, যেদিন বলেছিলে, “আমাকে ভুলে যেও”— শুধু হেসেছিলাম… কাঁদি নাই তখন, এখন কাঁদাও প্রতিনিয়ত। আজো তুমি আছো আমার নামাজের দোয়ায়, আছো কাব্যগ্রন্থের প্রতিটি শব্দে, আছো শহীদের শেষ চিঠির অক্ষরে— আছো, কিন্তু নেই! ভুলতে পারি না, জানি না ভুলবো কি না, কেন এমন ভালোবাসা, বুঝতে পারি না। তবু স্মৃতির ঝাঁপি খুলে ধরি বারবার— এই ভালোবাসা, এই বেদনা…একান্তই আমার। ভুলতে পারি না, জানি না ভুলবো কি না, কেন এমন ভালোবাসা, বুঝতে পারি না। তবু স্মৃতির ঝাঁপি খুলে ধরি বারবার— এই ভালোবাসা, এই বেদনা…একান্তই আমার। তবু স্মৃতির ঝাঁপি খুলে ধরি বারবার— এই ভালোবাসা, এই বেদনা…একান্তই আমার। তবু স্মৃতির ঝাঁপি খুলে ধরি বারবার— এই ভালোবাসা, এই বেদনা…একান্তই আমার---